আস্তে করে দুটি আঙ্গুল ভিতরে ঢুকান
আলতো করে ধরুন। আস্তে করে দুটি আঙ্গুল ভিতরে ঢুকান। যদি বেশি বড় হয় তবে তিনটি আঙ্গুল ঢুকাতে পারেন।
দেখে নিবেন এটা যেন ভেজা থাকে, এবার আস্তে করে উপর নিচে ঘষতে থাকুন।
.
.
.
হ্যা এভাবেই কাপ পরিষ্কার করতে হয়।
আলতো করে ধরুন। আস্তে করে দুটি আঙ্গুল ভিতরে ঢুকান। যদি বেশি বড় হয় তবে তিনটি আঙ্গুল ঢুকাতে পারেন।
দেখে নিবেন এটা যেন ভেজা থাকে, এবার আস্তে করে উপর নিচে ঘষতে থাকুন।
.
.
.
হ্যা এভাবেই কাপ পরিষ্কার করতে হয়।
এক লোক তার মেয়ের জন্য ললিপপ কিনে আনলো। মেয়ের বয়স ৮ বছর।
বাবা : নে ধর। ললি পপ খা।
মেয়ে : কেন? আমি কী প্রভা নাকি যে ললি পপ খাবো ??
১ম জন: জানো? গত সপ্তাহে ফাদারের রুম গোছাতে গিয়ে আমি প্লেবয় ম্যাগাজিন পেয়েছি!
২য় জন: এটাতো কিছুই না।গতকালকে ফাদারের ড্রয়ারে আমি এক ডজন কনডম পেয়েছি!
৩য় জন: বলো কী?তারপর কী করলে?
২য় জন: তারপর সবগুলো কনডমের মাথা ফুঁটো করে দিলাম
৩য় জন: হে ঈশ্বর!আমার একি সর্বনাশ করলে?
স্বামী-স্ত্রী রতিক্রিয়ার সময়–
স্ত্রীঃ আজ তোমার কেমন লাগছে গো
স্বামীঃ দারুন লাগছে ডার্লিং… ইচ্ছে করছে তোমার ভিতর চিরদিনের জন্য ডুকে যাই।
বারান্দায় কাজের বুয়াঃ ডুকে যাওয়ার আগে আমার টাকাটা দিয়ে যাবেন।
এক দম্পতি হানিমুনের জন্য ট্রেনে করে যাচ্ছেন। পথে এক স্টেশনে ট্রেন থামলেএকজন বৃদ্ধলোক হঠাত্ করে তাদের কম্পার্টমেন্টে উঠে পরে। লোকটি জানায় তারকাছে পয়সা না থাকায় টিকেট কাটতে পারেনি। বৃদ্ধের প্রতি দয়া হওয়ায় তারালোকটিকে তাদের কম্পার্টমেন্টে জায়গা দেয়।
রাতে ঘুমাবার সময় স্বামীটি বৃদ্ধলোকটিকে বলে -”চাচা আপনি বৃদ্ধমানুষ, আপনি নিচের সীটেই ঘুমান। আমরা স্বামী-স্ত্রী ওপরের বাঙ্কারে ঘুমাবে।”
লোকটি সম্মতি দিয়ে শুয়ে পড়ে।
কিন্তু ঘুমাবার আগে স্ত্রী স্বামীকে চিন্তিত হয়ে জিজ্ঞেস করে, ” আচ্ছা, রাতে আমরা যখন ‘ইয়ে’ করবো তখন শব্দ হলে একটা লজ্জার ব্যাপার হবে।”
স্বামীটি বলে, “চিন্তা করোনা, তুমি তখন ‘আম-জাম’ বলো, অন্যকোন শব্দ করোনা”
তো স্বামী-স্ত্রী কথামতো এভাবে সারারাত ‘আম-জাম’ করে কাটালো।
সকালে সবার ঘুম ভাঙলে স্বামীটি বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করল রাতে ঘুম কেমন হয়েছে।
বৃদ্ধ জবাব দিলেন, ” বাবা, ঘুম তো ভালই হয়েছে, কিন্তু সারারাত তোমরাবাঙ্কারে শুয়ে যে আম-জাম খেয়েছ তার ‘সব রস’ নিচে আমার গায়ে পড়েছে।
বল্টুর শরম অনেক বেশি। সামনে তার গার্লফ্রেন্ড রিপার জন্মদিন , কিন্তু জন্মদিনের পোশাক টা পড়ে রিপার সামনে যেতে তার লজ্জা লাগতেছে। তো রিপা ব্যাপারটা খেয়াল করলো।
রিপাঃ জান , তুমি এতো লজ্জা পাচ্ছো কেনো?
বল্টুঃ আমার একটা সমস্যা আছে।
রিপাঃ আমাকে বলো সোনা।তুমি না আমার ডার্লিং?
বল্টুঃ আমার ইয়েটা একটু ছোট।
রিপাঃও , এই কথা? চিন্তা করো না জান, আমি নার্স থাকার সময় এইসব জিনিস অনেক দেখেছি। অইটা তো ছোট হতেই পারে।
বল্টু তার প্যান্ট খুলেঃ এই যে দেখ।
রিপা দেখার পর্ঃ আচ্ছা জান, তুমি এত চিন্তা করো না। আমি এই সাইজ আগেও দেখছি।
বল্টুঃ তাই? তুমি কি সেক্স রোগ বিভাগের নার্স ছিলা?
রিপাঃনাহ, আমি তো শিশু রোগ বিভাগের নার্স ছিলাম।
১টি ছেলে ও ১টি মেয়ের মাঝে গভীর প্রেম ছিল। ছেলেটি একবার হাত কেটে রক্ত দিয়ে মেয়েটিকে চিঠি লিখেছিল। কিছুদিন পর তাদের ভালবাসা নষ্ট হল। তো যার কাছে যার দেনা পাওনা ছিল মিটিয়ে নিচ্ছিল।
সব শেষে ছেলেটি বললো আমার রক্ত ফেরত দে, মেয়েটি সাথে সাথে তার সালোয়ারের নিচ থেকে ১টা ন্যাপকিন বের করে ছেলেটির হাতে দিয়ে বললো নে শালা তোর রক্ত কিস্তিতে শোধ দেব।
: বলোতো মুরগির ব্রেস্ট নেই কেন ?
:মোরগের হাত নেই বলে |
: বলো তো সেক্স করার সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়?
: অব্যশই মেয়ে |
: কেন ?
: যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও আরামটা কোথায় লাগে, কানে না লাঠিতে ??
বিয়ের পর, নলাদা এবং নলাদার শ্বশুর একসাথে বসে পান খাচ্ছে… তো শ্বশুর মশাই নলাদাকে বললঃ এই নলা পানের পিছকিটা কোথায় ফেলবো?
নলাদাঃ ঐ পাশের জনের পকেটে ফেলেদিন…
শ্বশুর মশাইঃ এ…ই ধরে ফেলবেনাতো?
.
.
নলাদাঃ আরে… ধুর… তুমি কি ধরতে পারছ…!!!